Posts

আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে

Image
কেউ অন্যায়ের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে লেখা দিয়ে অন্যায় কে ঢাকনা দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।  আমি তো বলেছি আমার বাবাও যদি অন্যায় করে আমি তার বিরুদ্ধে যাবো।  ২৩ তারিখের ঘটনা নিয়ে অনেকেই পক্ষপাতিত্ব করে লিখছে তার মানে অন্যায় কে প্রশ্রয় দিচ্ছো???  আমার রেমা মাহারির একজন ছিলো জড়িত তাতে কি আমি অন্যায় কে প্রশয় দেয়নি দিবোনা তাকে প্রশয় দিলে আরো সে করবে তার জেল হবে কয় মাস?? সর্বোচ্চ ৩মাস এর পর থেকে আবার সে ঐ কাজটি করবে। তো তুমি তাকে আরো উৎসাহিত করলে তার পক্ষপাতিত্ব করে। আমি বলবো  যে অন্যায় করেছে সে যেনো দ্বিতীয় বার এই কাজ করতে না পারে ভাইরাল হলে তার যদি লজ্জা থাকে তো সে করবেনা যদি করেও থাকে তো সে পতিতালয় কে বেছে নিক। অন্য প্রতিষ্ঠানে এই পার্লার বা স্পা সেলুন এখানে অনেকেই জড়িত তাদের পরিবারকে চালাচ্ছে এই কাজ করে। তাদের জন্য অন্য ছেলে/মেয়ে লজ্জিত হোক কেউ চাইবেনা। একটা কথা আছে এক ঝুড়িতে যদি একটি পঁচা আম থাকে তাহলে সেই ঝুড়ির আম গুলো পচতে শুরু করে আবার যদি সেই পঁচা আম একটা ফেলে দিতে পারো বা ফেলে দেয় তাহলে সব আম গুলো পচনের হাত থেকে রেহায় পাবে।  একটা আমের জন্য সব আম পঁচে যাক টা কেউ চাইবেনা...

মনে পরে তোমাকে

Image
মনে পরে তোমাকে সেদিন টি  ছিলো সকাল বেলা তুমি স্কুলে যাচ্ছিলে আমি ছিলাম এক আত্মীয়ের বাড়ির উঠোনে আমার বোনের সাথে আলাপ করছিলাম তুমি হুত কোথা থেকে যেনো এলে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তোমার দলবল নিয়ে কাকের মত কাকা আওয়াজ করেন তাই তোমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলাম কাক। কারণ তোমার আওয়াজ টা সবার চাইতে বেশি ছিলো।  হাহাহা তুমি চলে গেলে স্কুলে আমি তো আমার জায়গাতেই আছি,  চলছে এভাবেই তুমি যখনই স্কুলে যেতে তোমার যাওয়াটা আমি ঠিকই বুঝতাম কারণ তো আগেই বলেছি তোমার আওয়াজ টা সবার আগে ভেসে আসতো আমার কানে।  আমি মাঝে মাঝে রাস্তায় দেখা হলে তোমাকে কাক বলে ডাকতাম হাহাহা কিন্তু তুমি টা সিরিয়াস ভাবে নিলে তুমি আমাকে টার্গেট করলে তোমার ভালোবাসার জালে ফাঁসানোর জন্য সাফল্য আসলো তোমার।  আমিও তোমার প্রেমে ফেঁসে গেলাম।  আমিও এমনি এমনি ফেঁসে যায়নি তোমার একটা রোগ ধরতে পেরেছিলাম তোমার রোগ ছিলো বহু ছেলের সাথে ফোনে আলাপ।  আমিও একজনের কাছে নাম্বার নিয়ে কথা বলেছিলাম তোমাকে আমার পরিচয় গোপন করে।  কি জানি কিভাবে তুমি শেষে আমাকে চিনে ফেললে তারপরও কথা বলা শুরু ফোনে এভাবে চলছিলো আমাদের ভালবাসা।...

অনৈতিক কাজে লিপ্ত গারো মেয়েরা

Image
চাহিদা মেটানোর জন্য ব্যবসা কিন্তু ব্যবসা হতে হবে সৎ, থাকতে হবে সততা। সততা হচ্ছে ব্যবসার মূল পুজি আপনার ব্যবসায় সততা থাকলে আপনি এমনিতেই ব্যবসায় সফল হতে পারবেন! যারা জেনে বুঝে অসৎ কাজ বা ব্যবসা করে তাদের একদিন ই ধ্বংস হবার চান্স আছে। কথায় আছে চোরের ৯দিন গৃহস্থের একদিন। চোর করবা ৯দিন কিন্তু ধরা তোমাকে খেতেই হবে একদিন। তুমি যে ৯দিন চুরি করেছিলে সেটা একদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে এইাই সত্য, কয়েকদিন ধরে খবরের কাগজে একটা খবর ঘুরঘুর করছে স্পা,পার্লারের নামে চলছিলো দেহ ব্যবসা।  গারো নারীরাও ছিলো সেখানে ধরাও পরেছে চোরের নয় দিন গৃহস্থের একদিন।  গারো নারীদের উদ্দেশ্যে আমার কয়েকটা কথা বলার আছে তোমরা পার্লারের বা অসৎ কাজ জেনে বুঝে কেন লিপ্ত হও?? তোমাদের কি টাকার এত প্রয়োজন?? স্বাভাবিক প্রয়োজন থাকতেই পারে কিন্তু তুমি জানোই যে এখানে অসৎ কাজ চলে তোমাকে হয়তো বলে নেওয়া হয়েছে যে এখানে এসব কাজ চলে। তুমি নিজ ইচ্ছামত করে এসেছো টাকার জন্য। এইসব যখন করবে তাহলে পতিতালয়ে যেতে কিন্তু পার্লারের নাম করে এসব করার কি দরকার?? তোমাদের জন্য আরো শত শত গারো মেয়েদের মান হানি হচ্ছে বা পার্লারে চাকরি  করতে দিবে...

আর কত??

Image
আর কত?? আমার মা বোন,  হচ্ছে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ। নিশ্চুপ প্রশাসন, করেছি আন্দোলন। চেয়েছি বিচার,      খেয়েছি তো মার। অন্ধ আইন,   খুজেছি লাইন। বিচার চাই বিচার চাই আমাদের পাশে কেউ নাই! করেছি হায় হায় কাউকে নাহি পায়? ডেকেছি কতজন কে ভাই ভাই, তারাও পাশে নাই। আমার মা বোন হচ্ছে ধর্ষণ, দেখবো এই দৃশ্য আর কতক্ষণ?? আর কত সয়ে যাবো নির্যাতন? আর কত সইবো অপমান, আর কত দিবো জান? সবাই গেয়ে উঠো মুক্তির গান। বেঁচে যাবে হাজারো লক্ষ প্রান।  

মরিয়ম নগর টু কাতলমারী পায়ে হেটে যাওয়ার গল্প

Image
মরিয়ম নগর টু কাতলমারী পায়ে হেটে যাওয়ার  গল্প আমি তখন মরিয়ম নগর হোষ্টেলে থাকি! আমাদের রান্না বান্নার পালা ছিলো সকালে ভাত, দুপুরে চিড়ামুড়ি, রাতে ভাত দিতো। হোষ্টেল জীবন মানেই খাবারের দিক দিয়ে কষ্ট। সকালে স্টাডি, স্কুলে যাওয়া, স্কুল থেকে আসা একটু বিরতি,তারপর টুকটাক কাজ, আবার স্টাডি পরে খাওয়ার বিরতি পরে ঘুম। বৃহস্পতি বারের রাতে বিনোদন স্বরুপ বিটিভি দেখা হাহাহা। ভালোই চলছিলো আমার হোষ্টেল জীবন। সবার সাথে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল।  একমাত্র আমিই ছিলাম দূরের গ্রামের ছেলে! আমার বাড়ি ছিলো হালুয়াঘাট থানার কাতলমারী গ্রামের। এক জেলা থেকে আরেক জেলার মানুষ।  তো আমাদের পরিক্ষা চলছিলো দ্বিতীয় সাময়িকী। আমি দুই টা পরিক্ষা দিয়েছি সেই মাসে আমার হোষ্টেল খরচ, হাত খরচ, আর পরিক্ষার ফি আসতে দেরি হয়েছিলো।  আমি কারো কাছ থেকে পরিক্ষার ফি এর জন্য টাকা পাচ্ছিলাম না এক দিকে পরিক্ষা অন্য দিকে টাকার চিন্তা। দিনটা ছিলো বৃহস্পতিবার আমাকে বলা হলো তুমি যাও তোমার পরিক্ষার ফি এর জন্য যেহেতু শুক্রবার ছুটি পরিক্ষাও নেই। আমি বাদ্য না হলে আমার পরিক্ষা দেওয়া হবেনা। আমার বন্ধু দের কাছে টাকা চাইলাম কিন্তু কেউ দিলো...

ওয়া.ল (আগুন) মাই ডাককে গুমা.আ

ওয়া.আল (আগুন/তাপ) গল্পটা আমার আচ্চু (নানার) কাছ থেকে শোনা, আমরা যারা সাংসারেক বা গারো আদিবাসীদের ধর্মে যে প্রধান তাতারা রাবুগা আছে তার পরেই মিশি সালজং!!. মিশিসালজং হচ্ছে সূর্য,তাপ বা বিজ্ঞান ভিত্তিক ভাবে শক্তির মূল উৎস হচ্ছে সূর্য।  গারো আদিবাসীরা এই সূর্য দেবতাকে মান্য করেছে, পূজা করে এসেছে!!  এর যুক্তিযুক্ত কারণ  খুঁজে পেয়েছি আমার মতে টা ছিলো বিজ্ঞান সম্যত!  বিজ্ঞান বলছে পৃথিবীর মূল শক্তির প্রধান উৎস হচ্ছে সূর্য।  সূর্য /তাপ না থাকলে পৃথিবী অচল তার মাঝে গারোরা বাতাস, প্রকৃতি পূজারী সব কিছুর মাঝে আমি যুক্তি খুঁজে পায় যে তারা সূর্য,প্রকৃতির পূজা করে ভুল করেনি।  তারা প্রকৃত অর্থে আসল ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তাকেই পূজা করেছে, গাছপালা বা প্রকৃতি পুজা করেছে!! প্রকৃতি পানি ও গাছ পালা খাদ্য দেয়, সূর্য তাপ এবং আগুন দেয় যার মাধ্যমে রান্না করে খেতে পারি বা খায়। যা সদা সত্য, এবং এখনো আমরা খেয়েয় বেঁচে আছি। যাক অনেক কথা বললাম এবার নানার গল্পে আসি,,  একদা এক মা ছিলো,  তার গর্ভে সন্তান ছিলো প্রথমে তিনি সূর্য কে জন্ম দিলেন, তার পর একে একে মাটি,গাছপালা,পশুপাখি জন্ম...

ধর্ষণ বানী

Image
ধর্ষণ বানী             #একান্ত_রেমা আমার কথা শুনার মত কেউ নাই, ওরে এদিক এসে দেখে যা ভাই! শোনাবো আমি ধর্ষণ বানী, করনা কেউ কানাকানি! এদেশে সবাই রাজা, ধর্ষিত রানী। শুনো শুনো আমি বলছি কিচ্ছা কাহিনি, এই দেশের প্রধান রানী, রাজার দাপট তবুও কমেনি। শুনেছো সবাই বইয়েও লেখা, এদেশ ছিল পাকিস্তান এর রেখা। তাদের রেখে যাওয়া বির্য্যের শিশু, আজ তারা নাকি মাস্তান বিশু। এই বাংলায় আর কত ধর্ষণ ?? আর কত নিপীড়ন। আর কত কবিতা কৃতিকা দেবে প্রাণ?? এযেন বাংলা নয় ১৯৭০ এর পুর্ব পাকিস্তান। ধর্ষনে ছেয়ে গেছে দেশ, হত্যা গুম বেড়েই চলেছে বাহ্ বেশ বেশ! ২০২১ এর ভিশন চলছে চলুক হত্যার মিশন।